রাইড শেয়ারিংয়ের বিরক্তি
প্রতিদিন সকালে অফিসে বা ক্লাসে যাওয়ার আগে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করা, হুটহাট রাইড ক্যানসেল হওয়া আর গলাকাটা ভাড়ার যন্ত্রণা।
নিজের স্কুটি নিজেই চালান, প্রতিদিনের স্বাধীনতায় ডানা মেলুন। ঢাকা ও গাজীপুরের ব্যস্ত রাস্তায় রাইড শেয়ারের জন্য আর অপেক্ষা নয়। জামাল ভাই ড্রাইভিং স্কুলের সম্পূর্ণ নিরাপদ ও নারী-বান্ধব পরিবেশে অত্যন্ত সহজে শিখে নিন স্কুটি চালানো।
আমরা জানি, ঢাকা ও গাজীপুরের রাস্তায় একজন নারীর প্রতিদিনের যাতায়াত কতটা কষ্টের। আপনিও কি প্রতিদিন এই সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হচ্ছেন?
প্রতিদিন সকালে অফিসে বা ক্লাসে যাওয়ার আগে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করা, হুটহাট রাইড ক্যানসেল হওয়া আর গলাকাটা ভাড়ার যন্ত্রণা।
লোকাল বাস, লেগুনা কিংবা অপরিচিত পুরুষ রাইডারের পেছনে বসার সময় প্রতিনিয়ত এক ধরণের অস্বস্তি আর নিরাপত্তা নিয়ে হাজারো চিন্তা মাথায় কাজ করে।
সন্তানকে স্কুলে দেওয়া, বাজারে যাওয়া বা জরুরি প্রয়োজনে সবসময় পরিবারের পুরুষ সদস্যদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। নিজের একটি বাহন থাকলে যা হতো মাত্র ১০ মিনিটে!
জ্যামের শহরে অন্যের ভরসায় চলতে গিয়ে প্রতিদিন জীবনের সেরা সময়গুলো নষ্ট হচ্ছে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে। সেই সময়টা বাঁচিয়ে নিজের ক্যারিয়ার বা পরিবারকে দেওয়া সম্ভব।
"জামাল ভাই ড্রাইভিং স্কুল"-এ আমরা শুধু স্কুটি চালানো শেখাই না, আমরা আপনাকে দিই রাস্তায় আত্মবিশ্বাসের সাথে পথ চলার চিরস্থায়ী স্বাধীনতা।
সবচেয়ে আরামদায়ক এবং নিরাপদ পরিবেশে কেবল নারীদের জন্যই ডেডিকেটেড নারী প্রশিক্ষক টিম।
চাকরিজীবী, স্টুডেন্ট ও গৃহিণীদের সুবিধার কথা ভেবে সকাল, দুপুর ও বিকালের আলাদা ব্যাচ।
ঢাকা ও গাজীপুরের নিরাপদ ও নিরিবিলি ওপেন ট্র্যাকে হাতে-কলমে ট্রাফিক রুলস সহ বাস্তব অভিজ্ঞতা।
অনেকেই সরাসরি গাড়ি চালানো শিখতে ভয় পান। তাই আমাদের ইউনিক পাথওয়েতে প্রথমে আপনি স্কুটির ব্যালেন্স ও গতি নিয়ন্ত্রণ শিখে নিজের মনের ভয় দূর করবেন। এরপর আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেলে খুব সহজেই আমাদের সাথে কার ড্রাইভিং ট্রেনিংয়ে আপগ্রেড করতে পারবেন।
৭ দিনে যেকোনো জ্যামমুক্ত ট্র্যাকে ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ অর্জন করা।
ঢাকার ব্যস্ত জ্যাম, ইউ-টার্ন এবং সিগন্যাল অতিক্রমের জন্য তৈরি হওয়া।
একই ট্রেনিং সেন্টারে প্রিমিয়াম কমপ্লিট প্যাকেজ নিয়ে গাড়ি চালনায় পারদর্শী হওয়া ও বিআরটিএ লাইসেন্স প্রস্তুতি নেওয়া।
আমরা আপনার শেখার প্রতিটি ধাপকে সহজ ও আত্মবিশ্বাসী করতে সাজিয়েছি ৩টি বিশেষ প্যাকেজ। আজই বেছে নিন আপনারটি:
যাঁরা আগে কখনো সাইকেল বা স্কুটি চালাননি এবং একদম শুরু থেকে স্কুটির ব্যালেন্স ও নিয়ন্ত্রণ শিখতে চান, তাঁদের জন্য এই প্যাকেজ।
ব্যালেন্সের পাশাপাশি ঢাকার চরম জ্যাম ও ব্যস্ত রাস্তায় নিরাপদে স্কুটি চালিয়ে স্কুল, কলেজ বা অফিসে যাতায়াত করার সম্পূর্ণ গাইড ও লাইভ অভিজ্ঞতা।
একবার ওয়ান-স্টপ সল্যুশন! স্কুটি শেখার পর সরাসরি কার ড্রাইভিং শিখে নিজেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও লাইসেন্সধারী চালক হিসেবে গড়ে তুলুন।
জামাল ভাই ড্রাইভিং স্কুলের মাধ্যমে স্বাধীন পথচলার স্বপ্ন পূরণ করেছেন এমন কয়েকজন শিক্ষার্থীর গল্প নিচে দেওয়া হলো।
বাচ্ছাকে স্কুলে দেওয়া আর নিয়ে আসার জন্য প্রতিদিন সিএনজি খোঁজার যে কষ্ট ছিল, তা এখন জামাল ভাইয়ের কারণে অতীত। ট্রেইনার আপুদের আন্তরিকতায় মাত্র ১০ দিনেই আমি স্কুটি চালানো শিখেছি। এখন আমি নিজেই স্বাধীন! আমার দেখাদেখি উত্তরা এলাকার আরও ৩ জন ভাবি জামাল ভাই ড্রাইভিং স্কুলে ভর্তি হয়েছেন।
অফিসে যাওয়ার জন্য রাইড শেয়ারিং অ্যাপের পেছনেই আমার বেতনের একটা বড় অংশ চলে যেত। সকালবেলা রাইড ক্যানসেলের যে কী বিরক্তিকর অনুভূতি তা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন। SMART CITY RIDER প্যাকেজটি নেওয়ার পর এখন আমি নিজেই নিজের স্কুটিতে অফিসে যাই। সময় আর টাকা দুটোই বাঁচছে।
সীমিত আসন সংখ্যা — ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে নতুন ব্যাচের স্লট দ্রুত পূরণ হয়ে যাচ্ছে। দেরি না করে আজই একটি ফ্রি ট্রায়াল ক্লাসের আবেদন করে রাখুন।
জামাল ভাই ড্রাইভিং স্কুল — নারী ও স্কুটি ট্রেনিং
জামাল ভাই ড্রাইভিং স্কুলের একজন ট্রেইনার আপু খুব শীঘ্রই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করবেন। ধন্যবাদ!
Loading coupons...